দোয়া 14 ভ্রাতৃত্ব ও শুভ পরিণতি 7 মিনিট পড়তে

ঈমান ও সাক্ষীদের অন্তর্ভুক্তি

নাজাশী ও তাঁর সঙ্গীরা 5:83–84
আরবি পাঠ

وَإِذَا سَمِعُوا مَا أُنْزِلَ إِلَى الرَّسُولِ تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ مِمَّا عَرَفُوا مِنَ الْحَقِّ يَقُولُونَ. رَبَّنَا آمَنَّا، فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ، وَمَا لَنَا لَا نُؤْمِنُ بِاللَّهِ، وَمَا جَاءَنَا مِنَ الْحَقِّ، وَنَطْمَعُ، أَنْ يُدْخِلَنَا. رَبُّنَا مَعَ الْقَوْمِ الصَّالِحِينَ.

وَإِذَا سَمِعُوا مَا أُنْزِلَ إِلَى الرَّسُولِ تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ مِمَّا عَرَفُوا مِنَ الْحَقِّ يَقُولُونَ رَبَّنَا آمَنَّا فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ وَمَا لَنَا لَا نُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَمَا جَاءَنَا مِنَ الْحَقِّ وَنَطْمَعُ أَنْ يُدْخِلَنَا رَبُّنَا مَعَ الْقَوْمِ الصَّالِحِينَ

আরবি পাঠ হরকতসহ কুরআন থেকে নেওয়া হয়েছে। المائدة 5:83–84
দোয়া শুনুন 0:00 0:00
কণ্ঠস্বর
প্রতিবর্ণীকরণ Yaquluna rabbana amanna faktubna ma‘a ash-shahidin. Wa ma lana la nu’minu billahi wa ma ja’ana mina al-haqqi wa natma‘u an yudkhilana rabbuna ma‘a al-qawmi as-salihin.
ভাবানুবাদ
Taisirul QuranBN

রসূলের প্রতি যা অবতীর্ণ হয় তারা যখন তা শুনে, তুমি দেখবে, সত্যকে চিনতে পারার কারণে তখন তাদের চক্ষু অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠে। তারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই তুমি আমাদেরকে সাক্ষীদাতাদের তালিকাভূক্ত কর। আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা আল্লাহ্তে এবং যে সত্যবিধান আমাদের নিকট এসেছে তাতে ঈমান আনব না, আর আমরা প্রত্যাশা করি যে, আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করবেন।

অর্থ ও বৈশিষ্ট্য

এখানে ‘ফাকতুবনা’ (فَاكْتُبْنَا) আদেশসূচক ক্রিয়ারূপে এসেছে—অর্থাৎ, ‘আমাদের লিখে নাও’। এটি নাজাশী ও তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের মতো সৎকর্মশীলদের মুনাজাত; তাঁরা কুরআন শুনে কেঁদেছিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।

ব্যাখ্যা ও শিক্ষা

শাইখ আবদুর রহমান আস-সা’দির তাফসির

“যখন তারা রাসূলের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা শোনে”—অর্থাৎ, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা তাদের অন্তরে প্রভাব ফেলে এবং তারা তার সামনে বিনীত হয়। যে সত্যের ব্যাপারে তারা নিশ্চিত হয়েছিল, তা শোনার কারণে তাদের চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে। তাই তারা ঈমান আনে এবং তা স্বীকার করে বলে: “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদেরকে সাক্ষীদের সঙ্গে লিখে নাও।”

তাঁরা হলেন মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মত; তাঁরা আল্লাহর একত্বের সাক্ষ্য দেন এবং তাঁর রাসূলদের রিসালাত ও তাঁরা যে সত্য নিয়ে এসেছেন তার যথার্থতার সাক্ষ্য দেন। পূর্ববর্তী উম্মতদের সত্যায়ন ও অস্বীকৃতির বিষয়েও তাঁরা সাক্ষ্য দেবেন। তাঁরা ন্যায়পরায়ণ; তাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: “এভাবেই আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী উম্মত করেছি, যাতে তোমরা মানুষের ওপর সাক্ষী হও এবং রাসূল তোমাদের ওপর সাক্ষী হন।”

মনে হয়, তাদের ঈমান আনা ও তাতে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার জন্য তাদেরকে তিরস্কার করা হয়েছিল। তাই তারা বলেছিল: “আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা আল্লাহর প্রতি এবং আমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তাতে ঈমান আনব না? আর আমরা আশা করি, আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের সঙ্গে প্রবেশ করাবেন।” অর্থাৎ, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনতে আমাদের বাধা দেবে—এমন কী আছে, যখন আমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে এমন সত্য এসেছে যাতে কোনো সন্দেহ বা সংশয়ের অবকাশ নেই?

আর আমরা যখন ঈমান আনব এবং সত্যের অনুসরণ করব, তখন আশা করি আল্লাহ আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তাহলে কী আমাদের বাধা দেবে? এটি কি ঈমান গ্রহণে দ্রুত অগ্রসর হওয়া, তার কাছে আত্মসমর্পণ করা এবং তা থেকে পিছিয়ে না থাকার যথেষ্ট কারণ নয়?

ইমাম ইবন কাসিরের তাফসির

৮৩-৮৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ পাক বলছেন-যখন তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর উপর অবতারিত অহী শ্রবণ করে তখন হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে দেখতে পাও যে, তাদের চক্ষু অশ্রুসিক্ত হয়েছে। কেননা, তারা সেই ভবিষ্যত সুসংবাদ সম্পর্কে অবহিত হয়ে গেছে যা (তারা মুহাম্মাদ সঃ -এর প্রেরিতত্ব সম্পর্কীয় সংবাদ) তাদের কিতাব তাওরাত ও ইঞ্জীলে দেখেছিল। তাই তারা বলতে শুরু করে- হে আমাদের প্রতিপালক!

আমরা মুহাম্মাদ (সঃ)-এর উপর ঈমান এনেছি। সুতরাং আপনি আমাদের ঐ দলের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা সাক্ষ্য দান করেছে ও ঈমান এনেছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবী) দ্বারা হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) ও তাঁর উম্মতকে বুঝানো হয়েছে, যারা তাদের নবী (সঃ)-এর জন্যে সাক্ষ্য দান করেছিলেন যে, নবী (সঃ) প্রচারের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অন্যান্য রাসূলদের জন্যেও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁরাও তাবলীগের দায়িত্ব পালন করেছেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) আরও বলেন যে, লোকদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, যারা কৃষক শ্রেণীর লোক ছিলেন এবং হযরত জাফর ইবনে আবি তালিব (রাঃ)-এর সাথে আবিসিনিয়া হতে এসেছিলেন।

রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন তাদেরকে কুরআন মাজীদ পাঠ করে শুনান তখন তারা ঈমান আনেন। ঐ সময় তাঁদের চোখে অশ্রু দেখা দেয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে বলেনঃ “যখন তোমরা স্বদেশে ফিরে যাবে তখন তোমাদের পূর্ব মাযহাবে ফিরে যাবে না তো?” তাঁরা উত্তরে বলেনঃ ‘আমরা আমাদের এ দ্বীন হতে কখনও ফিরে যাবো না।

মহান আল্লাহ তাঁদের উক্তিকে এভাবে নকল করেছেন- (আরবী) অর্থাৎ “আমাদের এমন কি ওযর আছে যে, আমরা ঈমান আনবো না আল্লাহর প্রতি এবং সেই সত্যের প্রতি যা আমাদের কাছে এসেছে? অথচ আমরা এ আশা রাখবো যে, আমাদের প্রভু সৎ লোকদের সাথে আমাদেরকে শামিল করবেন।” ঐ লোকগুলো ছিলেন নাসারা যাদের সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেনঃ “আহলে কিতাবের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে এবং বিশ্বাস রাখে ঐ কিতাবের উপর যা তোমাদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা তাদের উপর অবতীর্ণ করা হয়েছিল, আর আল্লাহর সামনে তারা বিনয় প্রকাশ করে।”

অন্য জায়গায় তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যখন তাদের সামনে (কুরআন) পাঠ করা হয় তখন তারা বলে-আমরা এর উপর ঈমান এনেছি, এটা আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে সত্য, আমরা তো ইতিপূর্বেই মুসলমান ছিলাম।” এ জন্যেই আল্লাহ তাআলা এখানে বলেনঃ “এ স্বীকারোক্তির কারণে আল্লাহ তাদেরকে এমন জান্নাতসমূহ প্রদান করবেন যেগুলোর নিম্নদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনীসমূহ প্রবাহিত হতে থাকবে, তারা তথায় চিরকাল অবস্থান করবে। এক মুহূর্তের জন্যেও তাদেরকে সেখান থেকে সরানো হবে না, সৎকর্মশীলদের প্রতিদান এটাই।” অতঃপর তিনি দুষ্ট লোকদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেনঃ যারা কুফরী করলো এবং আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করলো, তারা জাহান্নামের অধিবাসী।

৮৩-৮৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ পাক বলছেন-যখন তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর উপর অবতারিত অহী শ্রবণ করে তখন হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তুমি তাদেরকে দেখতে পাও যে, তাদের চক্ষু অশ্রুসিক্ত হয়েছে। কেননা, তারা সেই ভবিষ্যত সুসংবাদ সম্পর্কে অবহিত হয়ে গেছে যা (তারা মুহাম্মাদ সঃ -এর প্রেরিতত্ব সম্পর্কীয় সংবাদ) তাদের কিতাব তাওরাত ও ইঞ্জীলে দেখেছিল। তাই তারা বলতে শুরু করে- হে আমাদের প্রতিপালক!

আমরা মুহাম্মাদ (সঃ)-এর উপর ঈমান এনেছি। সুতরাং আপনি আমাদের ঐ দলের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা সাক্ষ্য দান করেছে ও ঈমান এনেছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবী) দ্বারা হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) ও তাঁর উম্মতকে বুঝানো হয়েছে, যারা তাদের নবী (সঃ)-এর জন্যে সাক্ষ্য দান করেছিলেন যে, নবী (সঃ) প্রচারের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অন্যান্য রাসূলদের জন্যেও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁরাও তাবলীগের দায়িত্ব পালন করেছেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) আরও বলেন যে, লোকদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, যারা কৃষক শ্রেণীর লোক ছিলেন এবং হযরত জাফর ইবনে আবি তালিব (রাঃ)-এর সাথে আবিসিনিয়া হতে এসেছিলেন।

রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন তাদেরকে কুরআন মাজীদ পাঠ করে শুনান তখন তারা ঈমান আনেন। ঐ সময় তাঁদের চোখে অশ্রু দেখা দেয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে বলেনঃ “যখন তোমরা স্বদেশে ফিরে যাবে তখন তোমাদের পূর্ব মাযহাবে ফিরে যাবে না তো?” তাঁরা উত্তরে বলেনঃ ‘আমরা আমাদের এ দ্বীন হতে কখনও ফিরে যাবো না।

মহান আল্লাহ তাঁদের উক্তিকে এভাবে নকল করেছেন- (আরবী) অর্থাৎ “আমাদের এমন কি ওযর আছে যে, আমরা ঈমান আনবো না আল্লাহর প্রতি এবং সেই সত্যের প্রতি যা আমাদের কাছে এসেছে? অথচ আমরা এ আশা রাখবো যে, আমাদের প্রভু সৎ লোকদের সাথে আমাদেরকে শামিল করবেন।” ঐ লোকগুলো ছিলেন নাসারা যাদের সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেনঃ “আহলে কিতাবের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে এবং বিশ্বাস রাখে ঐ কিতাবের উপর যা তোমাদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা তাদের উপর অবতীর্ণ করা হয়েছিল, আর আল্লাহর সামনে তারা বিনয় প্রকাশ করে।”

অন্য জায়গায় তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যখন তাদের সামনে (কুরআন) পাঠ করা হয় তখন তারা বলে-আমরা এর উপর ঈমান এনেছি, এটা আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে সত্য, আমরা তো ইতিপূর্বেই মুসলমান ছিলাম।” এ জন্যেই আল্লাহ তাআলা এখানে বলেনঃ “এ স্বীকারোক্তির কারণে আল্লাহ তাদেরকে এমন জান্নাতসমূহ প্রদান করবেন যেগুলোর নিম্নদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনীসমূহ প্রবাহিত হতে থাকবে, তারা তথায় চিরকাল অবস্থান করবে। এক মুহূর্তের জন্যেও তাদেরকে সেখান থেকে সরানো হবে না, সৎকর্মশীলদের প্রতিদান এটাই।” অতঃপর তিনি দুষ্ট লোকদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেনঃ যারা কুফরী করলো এবং আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করলো, তারা জাহান্নামের অধিবাসী।

আল-বাগাভির তাফসির

“আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা আল্লাহর প্রতি এবং আমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তাতে ঈমান আনব না?” ইয়াহুদিরা তাদেরকে তিরস্কার করে বলেছিল, “তোমরা কেন ঈমান আনলে?” তখন তারা এ কথা বলে জবাব দিয়েছিল।

“আর আমরা আশা করি, আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের সঙ্গে প্রবেশ করাবেন”—অর্থাৎ, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত করবেন। এর প্রমাণ হলো: “আমার সৎকর্মশীল বান্দারাই পৃথিবীর উত্তরাধিকারী হবে” (আল-আম্বিয়া, ১০৫)।

“আর যখন তারা রাসূলের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা শোনে”—অর্থাৎ, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে। “তুমি দেখবে, তাদের চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে”—অর্থাৎ, অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। “সত্যকে চিনতে পারার কারণে।” আতা থেকে বর্ণিত ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন: এর দ্বারা নাজাশী ও তাঁর সঙ্গীদের বোঝানো হয়েছে।

জাফর তাঁদের সামনে আবিসিনীয় ভাষায় “কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ” পাঠ করেছিলেন। জাফর পাঠ শেষ করা পর্যন্ত তাঁরা কাঁদতেই থাকলেন। “তারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদেরকে সাক্ষীদের সঙ্গে লিখে নাও”—অর্থাৎ, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের সঙ্গে। এর প্রমাণ আল্লাহর বাণী: “যাতে তোমরা মানুষের ওপর সাক্ষী হও” (আল-বাকারা, ১৪৩)।

সমর্থনকারী হাদিস

সহিহ আল-বুখারী (হাদিস নং ৩৮৭৭)-এ বর্ণিত হয়েছে, নাজাশী ইন্তেকাল করলে নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মৃত্যুসংবাদ ঘোষণা করেন এবং তাঁর জন্য অনুপস্থিত ব্যক্তির জানাজার সালাত আদায় করেন।

ট্যাগ
  • #ঈমান
  • #সাক্ষ্য
  • #সৎকর্মশীল
  • #নাজাশী
  • #কুরআন
  • #দোয়া

দোয়া অনুসন্ধান

বিষয়, সূরা, অনুবাদ, তাফসির বা আরবি লেখা দিয়ে খুঁজুন। আরবিতেও অনুসন্ধান করা যায়—হরকত দেওয়া আবশ্যক নয়।

↑ ↓ navigate · ↵ open · esc close ফলাফল →